মোহাম্মদ রুস্তম আলী, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চান্দপুর গালিম খার বাগ এলাকায় গাউছুল আজম জামে মসজিদে উন্নয়ন মূল্যক কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল হক খোকনের বিরুদ্ধ। চান্দপুর গালিমখার বাগে ৯০ দশকে একটি (পাঞ্জেখানা /ইবাদত খানা) নির্মান করে শহিদুল হক খোকন সকলকে নিয়ে নিজের যায়গায়, কিন্তু উদ্দেশ্যে আল্লাহ্ পাকের সন্তোষ্টির জন্যে নয় ছিলো এটাকে কেন্দ্রোকরে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বোকা বানিয়ে নিজের ফায়দা হাসিলের প্রধান উৎস, শহিদুল হক খোকন তার পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে জান, তার চাচাতো ভাই মরহুম আবদুল আউয়াল এবং মোঃ কলম উদ্দিন কে বলে এই পাঞ্জেখানাকে মসজিদ করবে তাই তাদের পাঞ্জেখানার পাশের তাদের জায়গাটি প্রোয়জন বলে, এবং তাদের জায়গাটি দান করতে প্রস্তাব করে তাতে রাজি হয়ে গাউছুল আযম জামে মসজিদের নামে জায়গাটি ওয়াকফা করেদেন, শহিদুল হক খোকন মসজিদের ভবন নির্মান ও উন্নয়ন মূলক কাজের নামে টাকা কালেকশনে নেমে পরে প্রথমে এলাকা বাসি, তার পর সরকারি অনুদান, তার পর শিল্পপতি, প্রভাসি, শহিদুল হক খোকন ছাত্র বয়সে রাজনীতির সাথে জরিতো ছিলো পর্বতীতে দলিল লিখক হয় এইকারনে অনুদান আনতে সহজ হয়, যেমন রাজনীতিক ভাবে মরহুম দয়াল সাহেব, সাবেক উপ জেলার চেয়ারম্যান লায়ন আলী আকবর, সাবেক পুলিশ প্রধান ও সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ, এবং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও মেম্বার। শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, প্রবাসী হাজী মোঃ গনি মিয়া, শিল্পপতি ঢাকা, কুয়েত প্রবাসী আলী তালুক দার, দুবায় প্রবাসী ও শিল্পপতি মোঃ আরজাব আলী, মোঃ ইনসাফ আলী বিশিষ্ট সমাজ সেবক, মোঃ মস্তুফা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ঢাকা, আরো অনেকের মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থ, সরকারী অনুদান আদায় করে কিন্তু প্রায় ৩০ বছর পেরিয়ে মসজিদের কাজ অসমাপ্ত রেখে দেয়, এলাকা বাসি মসজিদ কমিটি হিসাব চায় এবং অপ কর্মের প্রতিবাদ করায় ২০২৫ সালে রমজান মাসে মসজিদ টি নিজের দাবি করে এলাকা বাসি ও মুসল্লিদের কে নামাজ পরতে নিষেধ দিয়ে ২৯ রোজায় খোকন সরকার মসজিদে তালা মেরে দেয়, তখন মসজিদ কমিটি এলাকা বাসি ইউনিয়ন পরিষদের প্যালেন চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, কটিয়াদী থানার ওসি মহোদয় কে জানালে ইউপি সদস্য জহিরুল হক বুলবুল মেম্বার বট্রা ফারি থানার এস আই মানষ ভদ্র দাস থালা খুলে এলাকা বাসি মুসল্লিদের নামাজ পরার অনুমতি দিয়ে যায়, এই মসজিদে অজুখানা না থাকায় এলাকা বাসির সহযোগীতায় মসজিদ কমিটি ২৩/০২/২০২৬ ইং তারিখে অজুখানার কাজক শুরু করলে শহিদুল হক খোকন, পুলিশকে এনো অজুখানার কাজে বাধা দেন। মসজিদ কমিটি ও এলাকা বাসী, প্রশাসনের নিকর আবেন করে খোকন সরকারের ওয়াজ মাহফিল, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান সহ ইসলামিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে ধান্ধাবাজি এবং ওয়াকফা সম্পত্তি আত্মসাৎ ও রাজনৈতিক ফায়দা নিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে প্রতারণা করায় তকে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করেন,এলাকাবাসী।
দৈনিক চেতনার কন্ঠ